সভ্যতার আলো

সভ্যতার আলো, তার লিখনী দিয়ে আরো উন্নত ও সমৃদ্ধশালী সভ্য জাতি গঠনে অনন্য ভূমিকা রাখবে

ইরাকে মিলিশিয়া কনভয়ে বিমান হামলা নিয়ে বিভ্রান্তি

ইরাকে ইরানপন্থি শিয়া আধাসামরিক বাহিনীর একটি গাড়িবহরে বিমান হামলা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্স (পিএমএফ) প্রথমে এক বিবৃতিতে শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে বাগদাদের উত্তরে ক্যাম্প তাজির কাছে মার্কিন বিমান হামলায় তাদের বাহিনীর চিকিৎসক দলের ৬ সদস্য নিহত হয়েছে বলে দাবি করলেও পরে তা প্রত্যাহার করে নেয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স ইরাকি সেনাবাহিনীর এক সূত্রের বরাত দিয়ে পিএমএফ’র ওপর মার্কিন হামলার বিষয়টি জানিয়েছিল।

হামলায় আরও তিনজন আহত এবং গাড়িবহরের দুটি গাড়ি ভস্মীভূত হয়ে যায় বলেও প্রতিবেদনে বলেছিল তারা।

এর কিছু সময় পর টুইটারে হামলার দায় অস্বীকার করেন ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র কর্নেল মাইলস ক্যাগিনস থ্রি।

“সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট ক্যাম্প তাজির কাছে কোনো ধরনের বিমান হামলা চালায়নি,” বলেন তিনি।

ইরাকি সেনাবাহিনী পরে এক বিবৃতিতে জানায়, শনিবার ক্যাম্প তাজির কাছে পিএমএফের মেডিকেল কনভয়ে কোনো হামলা হয়নি।

বিবিসি জানায়, ইরাকের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনও পিএমএফের গাড়িবহরে শনিবারের হামলার খবর দিয়ছিল।

বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলেমানিকে হত্যার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফের বিমান হামলার এ খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও ফলাও করে প্রচারিত হয়।

পরে পিএমএফও তাদের চিকিৎসক দলের গাড়িবহরে হামলা হয়নি বলে জানায়।

তাদের বিবৃতি দেয়া ও তা প্রত্যাহারের পর থেকেই শনিবার তাজি ক্যাম্পের কাছে আদৌ কোনো হামলা হয়েছিল কিনা, কারা সেই হামলায় জড়িত তা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগে শুক্রবার ভোরে বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন হামলায় ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার কাসেম সোলেমানির সঙ্গে কমান্ডার আবু মাহদি আল মুহান্দিসসহ পিএমএফর ৬জনও নিহত হয়েছিল।

সোলেমানির মৃত্যুতে শোক জানাতে শনিবার বাগদাদে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছে বলে অন্য এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স। -বিডি নিউজ