সভ্যতার আলো

সভ্যতার আলো, তার লিখনী দিয়ে আরো উন্নত ও সমৃদ্ধশালী সভ্য জাতি গঠনে অনন্য ভূমিকা রাখবে

পারমাণবিক বর্জ্য ফেরত দিতে চুক্তির খসড়া অনুমোদন

নিউজ ডেস্ক : রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের তেজস্ক্রিয় ব্যবহৃত জ্বালানি বর্জ্য (স্পেন্ট ফুয়েল) ফেরত নেবে রাশিয়া। এজন্য এ সংক্রান্ত একটি চুক্তির খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

জাতীয় সংসদে সোমবার (৫ জুন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরের জন্য ‘কো-অপারেশন কনসার্নিং রিটার্ন অফ স্পেন্ট নিউক্লিয়ার ফুয়েল ফ্রম রূপপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট টু দ্য রাশান ফেডারেশন’ এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠকের পর সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাশিয়া সফরে দেশটির রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে রূপপুরের নিউক্লিয়ারের বর্জ্য কীভাবে ডিসপোজাল করা হবে তা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনায় হয়। কারণ এটা অনেক বড় সমস্যা, এটা হ্যান্ডেল করার মত সক্ষমতা বাংলাদেশের নেই।’

তিনি বলেন, ‘ওই বৈঠকে বর্জ্য ডিসপোজালের দায়িত্ব রাশিয়া নিতে সম্মত হয়েছিল। এজন্য এগ্রিমেন্ট আনা হয়েছে। ইন্টারগর্ভমেন্টাল এগ্রিমেন্ট আকারে প্রাথমিকভাবে খসড়া অনুস্বাক্ষরিত হয়, এখন মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।’

শফিউল আলম বলেন, ‘রূপপুর থেকে যে পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবহার করা হবে সেই জ্বালানি যখন বর্জ্য হয়ে যাবে সেটাকে সান্টিফিক্যালি ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে টেকনিক্যালি হ্যান্ডেল করে নিয়ে যাওয়া খুব কঠিন একটা সমস্যা। এটাকে সহজ করা হয়েছে, রাশিয়ানরা নিজেরাই নিয়ে যাবে এবং ডিসপোজাল করবে।’

নিরাপত্তার বিষয়গুলো পুরোপুরি অনুসরণ করেই রাশিয়া তেজস্ক্রিয় জ্বালানি নেবে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

এছাড়া মন্ত্রিসভা বৈঠকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) প্রস্তাবিত ‘কনভেনশন অন দি ফিজিক্যাল প্রোটেকশন অফ নিউক্লিয়ার ম্যাটেরিয়াল অ্যান্ড নিউক্লিয়ার ফ্যাসিলিটিস’ এর খসড়া এবং এর অনুসমর্থন প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা একটা মূল চুক্তি, এই কনভেনশনটি ১৯৭৯ সালে সদস্য রাষ্ট্রগুলো কর্তৃক গৃহীত হয়। বাংলাদেশও মূল কনভেনশনের সিগনেটরি। নিউক্লিয় পদার্থের অব্যাহতি ও আন্তর্জাতিক ব্যবহার পরিবহনে ভৌত সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইএইএ নতুন একটা সংশোধনী এনেছে। সেই সংশোধনীতে এ পর্যন্ত ১০৭টি দেশ অনুসমর্থন করেছে। আমরা যেহেতু মূল কনভেনশনে সই করেছি সেহেতু সংশোধনেও আমাদের অনুসমর্থন দেওয়া দরকার।’

‘গ্লোবাল মোবাইল গভর্নমেন্ট’ পুরস্কার প্রধানমন্ত্রীকে হস্তান্তর

মন্ত্রিসভা বৈঠকের শুরুতে ‘গ্লোবাল মোবাইল গভর্নমেন্ট’ পুরস্কার প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

মোবাইল ফোনভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশনের উন্নয়ন ও গণসচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এ পুরস্কার পেয়েছে।

যুক্তরাজ্যের ব্রাইটনে গত ৭ থেকে ৯ মে ‘মোবাইল গভর্নমেন্ট ওয়ার্ল্ড সামিট-২০১৭’ এ আইসিটি বিভাগকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের পক্ষে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

Leave a Reply

Your email address will not be published.