সভ্যতার আলো

সভ্যতার আলো, তার লিখনী দিয়ে আরো উন্নত ও সমৃদ্ধশালী সভ্য জাতি গঠনে অনন্য ভূমিকা রাখবে

কলকাতায় গ্রেফতার ‘গুলশান হামলার সন্দেহভাজন’

নিউজ ডেস্ক : কলকাতার আস্তানা থেকে গুলশান হামলায় সন্দেহভাজন এক জেএমবি নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ভারতীয় ইংরেজি দৈনিক টেলিগ্রাফের খবরে বলা হয়, পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছে, মোহাম্মদ ইদ্রিস নামের ওই জঙ্গি সদস্যকে এ সপ্তাহের শুরুতে কলকাতার বড় বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইদ্রিস গুলশান হামলার একজন ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ সন্দেহভাজন। গত বছর ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ওই জঙ্গি হামলায় ১৭ বিদেশি নাগরিকসহ ২২ জন নিহত হন।
খবরে বলা হয়, ‘দিল্লি পুলিশের একটি বিশেষ সেল কলকাতা পুলিশকে খবর দেয়, বড় বাজারের এক আস্তানায় লুকিয়ে আছেন ইদ্রিস। তিনি কলকাতা ও হায়দ্রাবাদের মধ‌্যে ঘোরাফেরা করছেন এবং রোহিঙ্গাদের অধিকারের পক্ষে সরব হওয়ার কথা বলে তরুণদের জঙ্গিবাদে টানার চেষ্টা করছেন বলে সুনির্দিষ্ট তথ‌্য ছিল পুলিশের কাছে।’
দিল্লি পুলিশের বরাত দিয়ে টেলিগ্রাফ লিখেছে, ইদ্রিস গুলশান হামলায় ‘প্রত‌্যাক্ষভাবে’ জড়িত ছিলেন এবং ওই ঘটনার পরপরই তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে বাংলাদেশ ছাড়তে সক্ষম হন। ভারতে ঢোকার পর তিনি মাস তিনেক আগে বড়বাজারের কলুটোলায় আস্তানা গাড়েন। তিনি হায়দ্রাবাদে যাওয়া-আসার মধ‌্যে ছিলেন এবং জেএমবির শীর্ষ নেতা সালেহীনের সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্দেশনা নিচ্ছিলেন।
টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, দিন পনেরো আগে দিল্লি পুলিশের একটি দল সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স ব‌্যুরোর সদস‌্যদের নিয়ে কলকাতায় এসে ইদ্রিসকে ধরতে অভিযান চালায়। কলকাতা পুলিশকে না জানিয়েই ওই অভিযান চালানো হয়, কিন্তু তাদের ফিরতে হয় খালি হাতে।
এরপর দিল্লি থেকে কলকাতা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইদ্রিসের বিষয়ে তথ‌্য দিয়ে সহযোগিতা চাওয়া হয়। কলকাতা পুলশ চলতি সপ্তাহের শুরুতে কলুটোলা থেকে ইদ্রিসকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, ভারতীয় পুলিশ ইদ্রিসকে গ্রেফতারের বিষয়টি বাংলাদেশে পুলিশের কাউন্টার টোরোরিজম ইউনিটকে জানিয়েছে। বাংলাদেশের পুলিশ চাইলে ইদ্রিসকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সুযোগও তাদের দেওয়া হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.