সভ্যতার আলো

সভ্যতার আলো, তার লিখনী দিয়ে আরো উন্নত ও সমৃদ্ধশালী সভ্য জাতি গঠনে অনন্য ভূমিকা রাখবে

রাজধানীতে পাতাল রেল হবে ওসাকা শহরের আদলে

 

 

অনলাইন রিপোর্টার ॥ ঢাকায় প্রথম পাতাল রেলের রুট ও নির্মাণ ব্যয় নির্ধারণ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) প্রস্তাবনা অনুযায়ী, রুট ‘এমআরটি লাইন-১’ হবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত এবং নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ‘এমআরটি লাইন-১’ এর মূল উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। সে অনুসারে প্রায় ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে এ রুট। থাকছে দু’টি অংশ। প্রথম অংশ বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত। ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ অংশটি হবে দেশের প্রথম আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রোরেল বা পাতাল রেল। অন্য অংশ পূর্বাচল থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত ১১ দশমিক ৩৬৯ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের রুটটি হবে এলিভেটেড অর্থাৎ মাটির উপর দিয়ে উড়াল রুট।

 

দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে জনসাধারণের ভোগান্তির অভিজ্ঞতা থাকলেও এই পাতাল রেল নির্মাণে কোনো ভোগান্তি হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, পাতাল রেলের সমস্ত কাজ মাটির নিচ দিয়ে হবে। রুটের ওপরের অংশে নিয়মিতভাবে যানবাহন চলাচল করবে।

 

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, ঢাকা শহরের তলদেশ ও ভূমির বৈশিষ্ট্য পাতাল রেল (আন্ডারগ্রাউন্ড সাবওয়ে) নির্মাণের উপযোগী, যা জাপানের ওসাকা শহরের মতো। এ কারণে ওসাকা শহরের মতোই রাজধানীর মাটির ২০ থেকে ২৫ মিটার গভীরে পাতাল রেল নির্মাণ করা হবে। আর পাতাল রেল নির্মাণে টানেল খননে অত্যাধুনিক টানেল বোরিং মেশিন ব্যবহৃত হয়, বিধায় কাজের সময় জনদুর্ভোগ হবে না। পরিবেশ বিপর্যয়ও হবে না বলা চলে।

 

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, স্বপ্নের এ প্রকল্পের কাজ ২০২৬ সালে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পের ভায়াডাক্ট, টানেল, এলিভেটেড অ্যান্ড আন্ডারগ্রাউন্ড স্টেশন পূর্তকাজের জন্য সার্বিক নকশা চূড়ান্ত।