সভ্যতার আলো

সভ্যতার আলো, তার লিখনী দিয়ে আরো উন্নত ও সমৃদ্ধশালী সভ্য জাতি গঠনে অনন্য ভূমিকা রাখবে

বাজে বোলিং-ফিল্ডিংয়ে বিশাল লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ

 

জিততে রেকর্ড গড়তে হবে বাংলাদেশকে

শেষে ঝড় তুললেন লিয়াম প্লানকেট ও ক্রিস ওকস। রানের পাহাড় গড়লো ইংল্যান্ড। জিততে রেকর্ড গড়তে হবে বাংলাদেশকে। 

৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৮৬ রান করেছে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে এটি তাদের সর্বোচ্চ। ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে যে কোনো দলের সর্বোচ্চ। ২০১১ আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে ভারতের ৪ উইকেটে ৩৭০ ছিল আগের সর্বোচ্চ।

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বিপক্ষে এর চেয়ে বেশি রান আছে কেবল একটি। ২০০৫ সালে নটিংহ্যামে ইংল্যান্ডই ৪ উইকেটে করেছিল ৩৯১ রান। 

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৩২৮ রানের লক্ষ্য তাড়ার কীর্তি আছে আয়ারল্যান্ডের। আর বাংলাদেশ জিতেছে ৩১৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করে। এটা ওয়ানডেতেও তাদের রান তাড়ার রেকর্ড।

২০০৭ সালে ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়া টানা ছয় ম্যাচে তিনশ ছাড়ানো সংগ্রহ গড়েছিল। ইংল্যান্ড টানা সাত ম্যাচে তিনশ ছাড়ানো সংগ্রহ গড়ে ছাড়িয়ে গেল তাদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ইংল্যান্ড: ৫০ ওভারে ৩৮৬/৬ (রয় ১৫৩, বেয়ারস্টো ৫১, রুট ২১, বাটলার ৬৪, মর্গ্যান ৩৫, স্টোকস ৬, ওকস ১৮*, প্লানকেট ২৭*; সাকিব ১০-০-৭১-০, মাশরাফি ১০-০-৬৮-১, সাইফ ৯-০-৭৮-২, মুস্তাফিজ ৯-০-৭৫-১, মিরাজ ১০-০-৬৭-২, মোসাদ্দেক ২-০-২৪-০)

স্টোকসকে দ্রুত ফেরালেন মুস্তাফিজ

বোলিংয়ে ফিরে অলরাউন্ডার বেন স্টোকসকে ফিরিয়ে দিলেন মুস্তাফিজুর রহমান।

বাঁহাতি পেসারের শর্ট বল এক্সট্রা কাভার দিয়ে ওড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন স্টোকস। টাইমিং করতে পারেননি। সহজ ক্যাচ যায় পয়েন্টে। তালগোল পাকালেও তৃতীয় চেষ্টায় মুঠোয় জমান মাশরাফি বিন মুর্তজা।

৪৮ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের স্কোর ৩৫৫/৬। ক্রিজে ক্রিস ওকসের সঙ্গী লিয়াম প্লানকেট।

মর্গ্যানকে ফেরালেন মিরাজ

নিজের শেষ ওভারে ওয়েন মর্গ্যানকে ফিরিয়ে দিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

ছক্কা হাঁকানোর চেষ্টায় লং অনে ক্যাচ দেন মর্গ্যান। কিছুটা দৌড়ে এসে ঝাঁপিয়ে চমৎকার ক্যাচ মুঠোয় নেন সৌম্য সরকার।

৩৩ বলে এক চার ও দুই ছক্কায় ৩৫ রান করে ফিরেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। ৪৭ ওভার শেষে স্বাগতিকদের স্কোর ৩৪১/৫। ক্রিজে বেন স্টোকসের সঙ্গী ক্রিস ওকস।

বিশ্বকাপে এটাই ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ। আগের সেরা ছিল ২০১১ আসরে ভারতের বিপক্ষে ৮ উইকেটে ৩৩৮।

বাটলার ঝড় থামালেন সাইফ

বোলিংয়ে ফিরে দ্রুত এগোনো জস বাটলারকে ফিরিয়ে দিলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।

প্রথম বল ছক্কা হজম করেছিলেন এই পেসার। পরের বলে ফ্লিক করে আবার ছক্কা হাঁকাতে চেয়েছিলেন বাটলার। ডিপ স্কয়ার লেগে চমৎকার এক ক্যাচ নেন সৌম্য সরকার। ভাঙে ৯৫ রানের জুটি।

৪৪ বলে চার ছক্কা ও দুই চারে ৬৪ রান করেন বাটলার। ৪৬ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের স্কোর ৩৩৫/৪। ক্রিজে ওয়েন মর্গ্যানের সঙ্গী বেন স্টোকস।

বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে বাটলারের ফিফটি

শুরুটা ছিল সাবধানী। প্রথম ১৬ বলে তুলেছিলেন ১০ রান। মোসাদ্দেক হোসেনকে ছক্কা হাঁকিয়ে ডানা মেলার পর আর থামাথামি নেই। বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে রান তুলছেন দ্রুত।

৩৩ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন বাটলার। এই সময়ে তার ব্যাট থেকে এসেছে দুটি চার ও তিনটি ছক্কা।

বাটলারকে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছেন ওয়েন মর্গ্যান। সাকিব আল হাসানের বলে তার বাউন্ডারিতে তিনশ ছুঁয়েছে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ।

৪৩ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের স্কোর ৩০৯/৩। বাটলার ৫৩ ও মর্গ্যান ২২ রানে ব্যাট করছেন।

দেড়শ করা রয়কে ফেরালেন মিরাজ
 
টানা তিন ছক্কা হজমের পর জেসন রয়কে ফিরিয়ে দিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। 

রুটকে ফেরালেন সাইফ

লাইন-লেংথ কিছুটা ফিরে পাওয়া মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন বোল্ড করে ফিরিয়ে দিলেন জো রুটকে।

স্লোয়ার বল ঠিকমতো খেলতে পারেননি ইংল্যান্ডের এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল এলোমেলো করে দেয় স্টাম্পস।

পরের বলে রিভিউ নিয়ে নতুন ব্যাটসম্যান জস বাটলারকে ফেরাতে চেয়েছিল বাংলাদেশ। বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা যায় লেগ স্টাম্প মিস করতো বল। তাতে শেষ হয়ে যায় একমাত্র রিভিউ।

৩২ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের স্কোর ২০৮/২। রয় ১৩০ ও বাটলার ১ রানে ব্যাট করছেন।

দাপুটে ব্যাটিংয়ে রয়ের সেঞ্চুরি

শুরু থেকেই ফিল্ডিং ভালো হচ্ছে না বাংলাদেশের। বাজে এক ফিল্ডিংয়ের জন্য এবার বাউন্ডারি উপহার পেলেন জেসন রয়। পৌঁছে গেলেন বিশ্বকাপে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিতে।

৯২ বলে ১২ চার ও ১ ছক্কায় বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ও ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরিতে পৌঁছান রয়। ৩৮ বলে ছুঁয়েছিলেন ফিফটি, পরের পঞ্চাশ এলো ৫৪ বলে।

২৭ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের স্কোর ১৬৭/১। রয় ১০০ ও জো রুট ১২ রানে ব্যাট করছেন। 

বেয়ারস্টোকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙলেন মাশরাফি

জনি বেয়ারস্টোকে ফিরিয়ে ইংল্যান্ডের শুরুর জুটি ভাঙলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। দারুণ এক ক্যাচ নিয়ে তাতে বড় অবদান আছে মেহেদী হাসান মিরাজের।

ওপেনারের ব্যাটের কানায় লেগে কাভারে আসা ক্যাচ কিছুটা এগিয়ে ঝাঁপিয়ে মুঠোয় জমান মিরাজ। ভাঙে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে যে কোনো উইকেটে ইংল্যান্ডের সেরা- ১২৮ রানের জুটি।

৫০ বলে ৬ চারে ৫১ রান করে ফিরেন বেয়ারস্টো। ২০ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের স্কোর ১৩০/১। ক্রিজে জেসন রয়ের সঙ্গী জো রুট।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেরা উদ্বোধনী জুটি

দারুণ ব্যাটিংয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে নিচ্ছেন জনি বেয়ারস্টো ও জেসন রয়। গড়েছেন বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেরা উদ্বোধনী জুটি।

রেকর্ড ছিল মারভান আতাপাত্তু ও সনাথ জয়াসুরিয়ার অধিকারে। ২০০৩ বিশ্বকাপে অবিচ্ছিন্ন ১২৬ রানের জুটিতে ১০ উইকেটের জয় এনে দিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কাকে।

বাংলাদেশের বিপক্ষে যে কোনো জুটিতে ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে বেশি রানের কীর্তি এখন রয়-বেয়ারস্টোর অধিকারে। আগের সেরা জুটি ছিল ২০১১ বিশ্বকাপে চতুর্থ উইকেটে জোনাথন ট্রট ও ওয়েন মর্গ্যানের ১০৯।  

রয়ের পর ফিফটি তুলে নিয়েছেন বেয়ারস্টো। তার ক্যারিয়ারের দশম, এবারের আসরে প্রথম। ৪৯ বলে ফিফটি করার পথে ৬টি চার হাঁকান তিনি।

১৯ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের স্কোর ১২৮/০। রয় ৭৪ ও বেয়ারস্টো ৫১ রানে ব্যাট করছেন।

রয়-বেয়ারস্টো জুটিতে একশ

সাবধানী শুরুর পর রানের গতি বাড়িয়েছে ইংল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটি। জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টো ১৫তম ওভারে দলকে নিয়ে গেছেন একশ রানে।

প্রথম ৫ ওভারে ১৫ রান তুলেছিল স্বাগতিকরা। পরের ১০ ওভারে এসেছে ৮৬ রান। ১৫ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের স্কোর ১০১/০। রয় ৫৯ ও বেয়ারস্টো ৩৯ রানে ব্যাট করছেন।

জুটি ভাঙার কোনো কৌশল কাজে আসছে না। ব্যাটসম্যানদের একটু ভাবাতে পারছেন কেবল সাকিব আল হাসান। ১৫ ওভারের মধ্যে তাকে দিয়ে ৭ ওভার করিয়েছেন অধিনায়ক। 

ঝড় তুলে রয়ের ফিফটি

বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে দ্রুত এগোচ্ছেন জেসন রয়। শটের পসরা সাজিয়ে বসা এই ওপেনার ৩৮ বলে তুলে নিয়েছেন ফিফটি। ওয়ানডেতে ষোড়শ, এবারের বিশ্বকাপে দ্বিতীয়।

পঞ্চাশ স্পর্শ করার পথে সাতটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান রয়। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দলকে এনে দিয়েছেন ভালো শুরু। জুটি গড়ে তুলেছেন জনি বেয়ারস্টোর সঙ্গে।

১২ ওভার শেষে ইংল্যান্ডের স্কোর ৮৭/০। রয় ৫১ ও বেয়ারস্টো ৩৪ রানে ব্যাট করছেন।  

ইংল্যান্ডের ভালো শুরু

প্রথম পাঁচ ওভারে ব্যাটসম্যানদের বেঁধে রেখেছিলেন সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজা। সাবধানী শুরুর পর রানের গতি বাড়িয়েছেন জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টো। অষ্টম ওভারে দলকে নিয়ে গেছেন পঞ্চাশ রানে।

প্রথম ৫ ওভারে ১৫ রান করেছিল ইংল্যান্ড। ষষ্ঠ ওভারে মাশরাফিকে দুই চার হাঁকিয়ে ডানা মেলেন রয়। পরের ওভারে সাকিবকে হাঁকান দুই চার।

অষ্টম ওভারে বাউন্ডারিতে মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনকে স্বাগত জানান বেয়ারস্টো। সেই ওভার থেকে আসে ১৬ রান। ৪৭ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করে উদ্বোধনী জুটির রান।

৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৫২/০। রয় ৩৩ ও বেয়ারস্টো ১৮ রানে ব্যাট করছেন।

সাকিবকে দিয়ে শুরু

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা ও পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশও স্পিন দিয়ে বোলিং শুরু করেছে। বাঁহাতি স্পিনার সাকিব আল হাসানকে দিয়ে প্রথম ওভার করান অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

সব মিলিয়ে ছয়বার ইনিংসের প্রথম ওভারে বোলিং করলেন সাকিব। প্রথম ওভারে দেন কেবল একটি সিঙ্গেল।

বাড়তি পেসার নিয়েছে ইংল্যান্ড

পাকিস্তানের বিপক্ষে হেরে যাওয়া দলে একটি পরিবর্তন এনেছে ইংল্যান্ড। লিয়াম প্লানকেটকে ফিরিয়ে পেসে বাড়িয়েছে শক্তি। বাদ পড়েছেন অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার মইন আলি।

ইংল্যান্ড একাদশ: ওয়েন মর্গ্যান, লিয়াম প্লানকেট, জনি বেয়ারস্টো, জস বাটলার, আদিল রশিদ, জো রুট, জেসন রয়, বেন স্টোকস, জফরা আর্চার, ক্রিস ওকস, মার্ক উড। 

আবার একই একাদশ নিয়ে বাংলাদেশ

কার্ডিফে একজন বাড়তি পেসার হয়তো সহায়ক হতে পারতো তবুও একই একাদশ নিয়ে খেলছে বাংলাদেশ। বাইরেই থাকছেন পেসার রুবেল হোসেন।

বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ, মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা, মুস্তাফিজুর রহমান।